How to do on-page SEO optimization for an article

3
15
views
on page seo optimization

How to do on-page SEO optimization for an article

অন-পেজ এসইও কি?

অন-পেজ এসইও একটি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান কৌশল। যা সার্চ ইঞ্জিন বটকে বুঝাতে সাহায্য করে, আপনার পেজ কি বিষয়ে। মেটা টাইটেল, বিবরণ, ট্যাগ, অভ্যন্তরীণ লিঙ্ককিং এবং অপটিমাইজিং বৈশিষ্ট্যগুলি দ্বারা, আপনি সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পেজে র‌্যাংকিং সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে ।

যখন একটি ওয়েবসাইট বা একটি ব্লগ পোস্টের অপ্টিমাইজিং এর কথা আসে,  তখন এর মধ্যে দুটি কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি থাকে :

  • অন-পেইজ অপ্টিমাইজেশন (On page seo optimization)
  • অফ-পেইজ অপ্টিমাইজেশন (Off page seo optimization)

এসইও সম্পর্কে আরো জানতে এই পোস্টটি পড়ে আসুন।

All About SEO and Types of SEO.

অফ-পেজ অপ্টিমাইজেশান আপনার ওয়েবসাইটের বাইরে যে কাজগুলো হয়ে থাকে । যেমন ব্যাকলিঙ্ক ।

আজকের আটিকেল অন-পেজ অপ্টিমাইজেশান উপর ফোকাস করা হবে, এবং আমি অন-পেজ এসইও এর কিছু কৌশল আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।

অন-পেজ এসইও একটি একক ব্লগ পোস্টকে টার্গেটেড কীওয়ার্ড দ্বারা অপ্টিমাইজ করাকে বোঝায়। এর মধ্যে অন্তভূর্ক্ত হল হেডিং, সঠিক জায়গায় কীওয়ার্ড বসানো, কন্টেন্ট কোয়ালিটি নিশ্চিত করা এবং আরো বিভিন্ন জিনিসের উপর নজর দিতে হয়।

অন-পেজ এসইও করার প্রয়োজনীয়া অনেক। এটি বাধ্যতামূলক।আপনি ব্লগ খোলার পর 20-25 টি পোস্ট করলেন কিন্তু দেখলেন যে আপনার পোস্ট গুগুলে প্রথম পেজে নেই। যার ফলে আপনার ব্লগে ট্রাফিক আসছে না। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকে। তবে এর মধ্যে অন-পেইজ এসইও অপ্টিমাইজেশন না করা অন্যতম।

অন-পেইজ এসইওতে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরী তা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হল :

1. মেটা টাইটেল :

এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন-পেজ এসইও ফ্যাক্টর । এর কারণ হল, আপনার টাইটেল যত বেশি আকর্ষণীয় ও অপ্টিমাইজ হবে, তত বেশি মানুষ ক্লিক করবেন । এবং সাধারণভাবে, আপনার পোস্ট যত বেশি ক্লিক পায়, তত বেশি র‌্যাং পাবে ।

শিরোনাম (এইচ১) ট্যাগে আপনার টার্গেটেড কীওর্য়াড বা কীওয়ার্ড শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু যদি তা সম্ভব না হয়, তবে চেষ্টা করুন যাতে টাইটেলের মধ্যে যেন থাকে।

আপনি টাইটেল ট্যাগে একাধিকবার একই কীওয়ার্ড পুনরাবৃত্তি করা উচিত নয়। হয়ত আপনি মনে করতে পারেন এতে ভারো র‌্যাং হবে। এটা আসলে আপনার র্যাংকিং ক্ষতি করতে পারে। এবং টাইটেল লেংথ রাখুন 65 অক্ষরের নিচে ।

2. পোস্ট পারমালিঙ্ক স্ট্রাকচার

আপনার URL সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছে কী না তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ অন-পেইজ এসইওতে । আবার, আপনি URL এ আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত, এবং প্রকৃত URL মধ্যে বিশেষ অক্ষর, প্রতীক, বন্ধনী, কমা, ইত্যাদি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন ।

আপনার URL কাঠামোতে শব্দগুলোর পার্থক্য করতে ড্যাশ ব্যবহার করুন । এগুলোকে “প্রিটি” বলা হয় এবং বেশীরভাগ ওয়েব ব্রাউজার দ্বারা সমর্থিত ।

যেমন: https://www.bd-bloggers.com/post-title-separated-with-dashes

3. হেডিং ট্যাগ এর ব্যবহার:

বিভিন্ন হেডিং, সাব-সাবহেডিং, এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলি হাইলাইট করার জন্য আপনার হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করা উচিত।

ওয়ার্ডপ্রেস এ, বিল্ট ইন টাইটেল ট্যাগ H1 এ সেট করা থাকে । তাই আর্টিকেলের মধ্যে আপনাকে আর কোন H1ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে না । একটাই যথেষ্ট । H2, H3 ব্যবহার করতে পারেন। আবার বেশি ব্যবহার করা যাবে, গুগুল তা পছন্দ করে না।

4. টেবিল অব কন্টেন্ট ব্যবহার

টেবিল অব কন্টেন্ট ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার আর্টিকেলকে একটা ছোট ম্যাপের মত প্রদান করে। যার ফলে ব্যবহারকারীর সুবিধা হয় তার খাঙ্খিত অংশটুকু পড়তে একটি পোষ্টের এবং সার্চ ইঞ্জিনের সুবিধা হয় র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে।

যেমন ধরুন একটি আর্টিকেল 3000+ ওয়ার্ডের, এখন ইউজার আপনার পুরো আর্টিকেলটা পড়তে চায় না। তার প্রয়োজনকৃত অংশটুকু পড়তে চায়, তখনেই কাজে দেয় টেবিল অব কন্টেন্ট।

5. কীওয়ার্ড ডেনসিটি

আপনার আর্টিকেলের লেন্থ অনুযায়ী আপনাকে আপনার ফোকাস/টার্গেটেগ কীওয়ার্ড 1.5% রাখতে হবে। বেশি কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে আপনার পোস্ট ওভার অপ্টিমাইজ হয়ে পড়বে যা ভবিষ্যতের জন্য খুবই খারাপ। এজন্য 1.5% ব্যবহার করাই ভালো।

6. মেটা ট্যাগ

প্রতিটি ব্লগ পোস্টের সাথে আপনার একটি ইউনিক এবং প্রাসঙ্গিক মেটা বিবরণ যুক্ত করা উচিত ।

আপনি মেটা বিবরনে আপনার টার্গেটেগ কীওয়ার্ড রাখবেন। অনেকে হয়ত এটা ব্যবহার করে না বা পছন্দ করে ব্যবহারে। অনেকে বিশ্বাস করে না এটা ব্যবহার প্রয়োজনীয়। আপনি এসব চিন্তা না করে চোখ বুঝে মেটা বিবরণ ব্যবহার করুন। আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন এর ব্যবহারের ফল।

7. ইমেজে অল্ট ট্যাগ ব্যবহার করা :

ইমেজ অপ্টিমাইজেশান ইমেজ অনুসন্ধান থেকে ট্রাফিক আনতে অনেক সাহায্য করে আপনার ওয়েবসাইটকে।

ইমেজ টাইটেল ও অল্ট টেক্টট এ আপনার টার্গেটেগ কীওয়ার্ড থাকা মানে আপনার পোস্ট আরো বেশি অপ্টিমাইজড। আপনি ইমেজ আপলোডের সময় নিশ্চিতভাবে অর্থবহ ইমেজ টাইটেল ও অল্ট টেক্টট দিন। ইমেজ ব্যবহারের আরেকটা সুবিধা হল এটি আপনার ইউজারদের ব্যস্ত করতে সক্ষম। ইমেজ আপনার পোস্টের সৌন্দর্য বহন করে। তাই এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

8. স্কীমা বা স্ট্রাকচার ডাটা ব্যবহার

এটি এমন একটি  এসইও টেকনিক যা  আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলতে সাহায্য করে। স্কীমা (স্ট্রাকচারড ডাটা) যুক্ত করে আপনি সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার পোস্ট সম্পর্কে আরো বেশি তথ্য বা বুঝতে সহায়তা করে ।

উদাহরণস্বরূপ, আপনার ফোন নম্বর এবং ইমেইল ওয়েবসাইটের ফুটারে থাকা অবশ্যই আপনার ইউজারের জন্য মূল্যবান কিন্তু সার্চ ইঞ্জিনের এটি বোধগম্য নয় । স্কীমা ব্যবহার করে আপনি এর প্রাসঙ্গিকতা দিচ্ছেন ।

নিচে একটি স্কীমার ইমেজ আপনাকে এটি বোঝাতে সাহায্য করবে :

Schema Example

9. ইন্টারনাল লিঙ্ককিং

ব্লগ পোস্টের ইন্টারলিঙ্ক আপনার ব্লগ পাঠকদের আরও বেশি সময় আপনার ব্লগে ব্যয় করতে সাহায্য করবে এবং এটি আপনার সাইটের অন্যান্য পোস্টগুলোও র্যাংক করাতে সাহায্য করবে ।

ইন্টারলিঙ্ক করার সময়, অ্যাঙ্কর টেক্সট হিসাবে একটি কীওয়ার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, কিন্তু খুব সাবধানে এটি বেশি করবেন না।

এমন পোস্ট ইন্টারলিঙ্ক করুন যা মূল পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক।অ্যাঙ্কর টেক্সট + ইন্টারনাল লিংক একটি ভাল সমন্বয়, এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় লিংক পাস করতে সাহায্য করবে । ইন্টারলিংকিং করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেসে অনেক প্লাগিং পেয়ে যাবেন। এতে আপনার কাজ সুবিধা হয়ে যাবে।

10. এক্সটারনাল লিঙ্ককিং

আপনার নিজের ব্লগ পোস্টে লিঙ্ক করা ছাড়াও, এটি বাহ্যিক ওয়েবসাইটের সাথে লিংক করা একটি দুর্দান্ত আইডিয়া । আবার এমন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক প্রদান করুন যা আপনার পোস্টের তথ্যের সাথে প্রাসঙ্গিক হয় । অযথা বা আজেবাজে এক্সটারনাল লিঙ্ককিং করবেন না। এতে স্পামিং হবে।

বাহ্যিক ওয়েবসাইটগুলিতে লিঙ্ক করার সময়, আপনার শুধুমাত্র বিশ্বস্ত ওয়েবসাইটগুলির সাথে লিঙ্ক করা উচিত। যদি কোন সাইট সম্পর্কে আপনার স্পষ্ট ধারণা না তাকে তবে নোফলো লিঙ্ক ব্যবহার করবেন।কিন্তু কোথাও কোথাও উইকিপিডিয়া এর মতো ওয়েবসাইট লিঙ্ক ব্যবহার করা অনেক ভালো।

এটি আপনার সাইটটি আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে ।

11. আকর্ষক কন্টেন্ট লিখা

আপনাকে অবশ্যই আকর্ষক কন্টেন্ট লিখতে হবে সময়ের সাথে সাথে।

আপনি যদি নিম্ন মানের পোস্ট এবং চালাকি করে সার্চ ইঞ্জিন এ র‌্যাঙ্ক করার চেষ্টা করেন, তবে অবশ্যই আপনি ব্যর্থ হবেন ।

আপনার পোস্ট আপনার দর্শককে এমনভাবে আকৃষ্ট হওয়া দরকার যাতে সে বার বার আপনার সাইটে ভিজিট করতে বাধ্য হয়। ভালো কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখা সহজ কথা নয়। এর জন্য অনেক সময় ব্যয় করতে হয় পোস্টের পিছনে। অন্যের কন্টেন্ট কপি পেস্ট করে কখনোই আপনি সফলতা পাবেন না। আপনাকে আপনার ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে হবে। তবেই আপনার পরিশ্রম কাজে আসবে।

এছাড়ার আরো কিছু কাজ করতে পারেন যেমন, সোশাল শেয়ারিয় বাটন এড করা, ফেসবুক ও টুইটার ইত্যাদির জন্য আলাদা ইমেজ এড করতে পারেন।

এই কাজগুলো আপনার অন-পেইজ এসইও অপ্টিমাইজেশন (on page seo optimization) এ সাহায্য করবে। এগুলো ফলো করে পোস্ট লিখুন অবশ্যই রেজাল্ট পাবেন। অন-পেইজ এসইও নিয়ে আরো কোন প্রশ্ন থাকে কমেন্টে জানাতে পারেন। পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

0 0 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments